নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক গভীর সংকটে নিমজ্জিত। অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী-খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের দানবীয় দুঃশাসনে দেশ আজ বিপর্যস্ত, সমাজ কাঠামো লন্ডভন্ড এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন। গণশত্রু ইউনুসের ফ্যাসিস্টতন্ত্রের জাঁতাকলে পিষ্ট দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন বলে দেশে আজ কিছুই নেই ।
দেশের প্রতিটি জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও নারীর প্রতি চলছে সহিংসতা, শিক্ষাঙ্গন, শিল্পাঙ্গনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অরাজকতা আর দেশের সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র। এছাড়াও স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালি জাতির অতীতের সকল গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস মুছে ফেলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি যেন তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধারের অভিযান চালাচ্ছে। আর এসবের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে মেটিকুলাস ডিজাইনের জনক ড. ইউনুস।
দেশের ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিনিধিত্বকারী ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যাতে ইউনুসের এসব দেশ ধ্বংসকারী অপকর্মের প্রতিবাদ জানাতে ও জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারে, সেজন্য বেআইনিভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে ইউনুস গং। এখন ইউনুস তার সব অসাংবিধানিক ও বেআইনি কাজের বৈধতা দিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী ও জঙ্গিদের মদদে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ আয়োজন করতে চলেছে একটি অবৈধ জাতীয় নির্বাচন ও প্রহসনের গণভোট।
মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সচেতন দেশ-বিদেশে কর্মরত মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে গড়ে ওঠা “স্মরণে ৭১,হৃদয়ে বাংলাদেশ” নামে সংগঠনের সাথে জড়িত ১৬৫ জন সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ হিসেবে আমরা মনে করি, জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলসমূহকে নিষিদ্ধ করে, জনগনের পছন্দ ও ভোটাধিকারের উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে এবং মব ভায়োলেন্স ও মিথ্যা মামলায় ছাত্র-শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক কর্মীদের জেলে আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে ‘আমলা ও মামুরা’র যে মেটিকুলাস ইলেকশন ইউনুস ও বিএনপি-জামায়াত মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে, তা কোনভাবেই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্য হবে না। এই পাতানো নির্বাচনের পর ইউনুস গং বিদেশে পালিয়ে যাবে ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ণ হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশপ্রেমিক সকল ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি –
নো ভোট, নো ভোট, নৌকা ছাড়া কিসের ভোট।
১২ ফেব্রুযারি সারাদিন, প্রহসনের ভোট বর্জন করুন।
১২ ফেব্রুযারি সারাদিন, প্রতারণার ভোট রুখে দিন।।
কিসের হ্যা কিসের না, ইউনুস তুই পালিয়ে যা।
জয় বাংলা.জয় বঙ্গবন্ধু.
বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক।
স্মরণে ৭১,হৃদয়ে বাংলাদেশ”র পক্ষে – দেশ-বিদেশে কর্মরত মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ১৬৫ সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।
