কাজী জব্বার, বাংলাদেশ: বাংলাদেশে ৫৪ বছর পরও স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয় নিয়ে নতুন নাটক ও শতভাগ মিথ্যা অপ-প্রচার চালাচ্ছে স্বাধীনতার জাত শত্রু জামায়াতে ইসলামী ও তাদের দোসর বি,এন,পি।। মূলতঃ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন, বাংলাদেশ নামক এই স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭১ এ, বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের দীর্ঘ ২৪ বছরের শাসন,শোষন এর যাঁতাকল থেকে বাংঙ্গালী জাতি তথা বাংলাদেশের মানুষকে সামাজিক অর্থনৈতিক ও জাতীয় ভাবে স্বাধীনচেতা জাতি হিসাবে বিশ্বের দরবারে মুক্ত স্বাধীন জাতি হিসেবে দাঁড় করান। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর প্রারম্ভেই ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ ঢাকায় ঐতিহাসিক রের্স কোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা কামী জনতার সামনে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর পর তৎকালীন পাকস্তানি শাসক গোষ্ঠীর প্রধান নৃপতি ইয়াহিয়া খানের বর্বর পুলিশ বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ দিবাগত ভোর রাতে ঢাকার ৩২ নাম্বার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানের মিনওয়ালালী কারাগারে বন্দী করে রাখে। তবে গ্রেপ্তারের পূর্বেই শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার লিখিত ঘোষণা পএ আ,লীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সহচর তাহের উদ্দিন ঠাকুরের হাতে দিয়ে যান। তাহের উদ্দিন ঠাকুর স্বাধীনতার সেই লিখিত ঘোষনাপএ ২৫ মার্চ সকালেই টেলি গ্রাপের মাধ্যমে চট্রগ্রামে আ,লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম,এ,আজিজের কাছে পাঠিয়ে দেন। এর পর ঐ মুক্তিযোদ্ধা আজিজ ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনা পএটি বর্তমানের এম,এ,আজিজ ষ্ঠেডিয়ামের এই খোলা মাঠে একটি ড্রামের উপর দাঁড়িয়ে জড় হওয়া আ,লীগ নেতা, ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মুখে ক্ষুদ্র পরিসরে পাঠ করে শুনান। এটা জানা জানি হওয়ার পর অত্যন্ত গোপনে যুদ্ধকালীন জেড ফোর্স কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের কাছে স্বাধীনতার লিখিত ঘোষনা পএ পাঠানো হয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে জানান দিতে বেতারে সম্প্রচারের জন্যে।
যথারীতি জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ ১৯৭১র, সালে চট্রগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ” On behalf of great leader bonga boundu Sheikh Mujibur Rahman এই কথার উক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা পএ পাঠ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে জানান দেন। রহস্য ও আশ্চর্যের ঘটনা হলো সাবেক প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকা লীন সময়ে ও ৯০,র দশক শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত “স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া” এরকম কোন কিছুই ছিলোনা বাংলাদেশে।। ৯০,র- স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পরে বি,এন,পি নামক এই রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এই শব্দটি শ্লোগান আকারে মাঠে আসে। এর পর থেকে তারা এটাকে জাতীয় ভাবে “স্বাধীনতার ঘোষক” মেজর জিয়া বানিয়ে ফেললেন বি,এন,পি। যাহা আদৌ সম্পূর্ণ জাঝল্য মিথ্যা, বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রনোদিত।। এ,দিকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিতব্য এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী সভায় চট্রগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমির এম,পি প্রার্থী ডঃ সফিকুর রহমান সদ্য জামাতে যোগদান করা কর্ণেল ওলি আহাম্মদকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের ঘোষক বানিয়ে জন সভায় ঘোষনা দেন! এই হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সারভৌমত্বকে বিকৃত ভাবে দীর্ঘদিন চালিয়ে আসা ও নতুন করে আবার নব কৌশল সৃষ্টির পায়তারা। ডঃ সফিকুর রহমানের এই ঘোষণার পর সারাদেশে গুঞ্জন উঠেছে না জানি কি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ম্যাটিকূলাস ডিজাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা জামাতে ইসলামী দখল করার পর তাদের নেতা গোলাম আজমকে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক নয় শুধু মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সিপাহ সালার ঘোষণা ও আসতে পারে স্বাধীনতা বিরোধী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে। এটা মোটেই অমুলক নয় বলে মানুষ জন যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। কারন এই জামায়াতে ইসলামীর ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের সকল মিথ্যার বেশারতির বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ অবগত,,,,,
