নির্বাচনের আগে উভয় পক্ষকে রাস্তায় নামিয়ে নয়া খেলায় পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI ও তুরস্ক। গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে ইউনূসের মেয়াদ বৃদ্ধি করার জন্য মরিয়া পাকিস্তান। স্থায়ী সরকার হলে বাংলাদেশের একচেটিয়া রাজনৈতিক আধিপত্য হারানোর আশঙ্কায় পাকিস্তান। তাই অঙ্ক করেই শুক্রবার ইনক্লাব মঞ্চকে রাস্তায় মামতে ফান্ডিং করেছে ISI
গতকাল বাংলাদেশের শাহবাগ চত্বরে জমায়েত করে ইনক্লাব মঞ্চের সদস্যরা। হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামে সংগঠনটি৷ আন্দোলনের মুখ ছিলেন হাদীর স্ত্রী। যুমনার দিকে মিছিল যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ইনক্লাব মঞ্চের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ পাঁচজন ইনক্লাব মঞ্চের সদস্য পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছে। প্রায় ২৫ জন সদস্য পুলিশের লাঠিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। যদিও গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে হাসিনার উত্থানে অংশ নেওয়া ইনক্লাব মঞ্চের সদস্যদের উপর কেন আক্রমণ করল পুলিশ?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশ সেনা কর্তার কথায় আন্দোলন ও আন্দোলন দমনের চিত্রনাট্য সবটাই ঠিক করেছে ISI। পাক গুপ্তচর সংস্থা “চোরকে বলছে চুরি করতে আর গৃহস্থকে বলছে সজাগ থাকতে “। ইনক্লাব মঞ্চকে তুরস্কের এজেন্টার বুঝিয়েছেন নির্বাচন হলে নতুন সরকার হাদী হত্যার ফাইল নিয়ে সক্রিয় নাও হতে পারে। তাছাড়া হাদী হত্যার আবেগ মানুষের মধ্যে আর নেই। হাদীর আবেগ কাজে লাগাতে না পারলে ফসল তুলবে জামাত ও বিএনপি। তাই আন্দোলন করেই ইনকাব মঞ্চকে বাংলাদেশের মাটিতে সমীহ আদায় করে নিতে হবে বলে বুঝিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা।
অন্যদিকে ইউনূস সরকারকে তারা বুঝিয়েছে আমেরিকার সব স্বার্থ এখনও পূরণ হয়নি। তাই ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে কিছু একটা করতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা খারাপ হলে নির্বাচন পিছিয়ে কিছু দিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব। আওয়ামী লীগের দোসোর তকমা দিয়ে নয়া রাজনীতি শুরু করা যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের মাটিতে গৃহযুদ্ধ বাজিয়ে নতুন সংকট তৈরি করতে চাইছে পাকিস্তান। ট্রাম্পের সুনজরে রয়েছে পাকিস্তান। তাই পাকিস্তানকে সামনে রেখে সব পক্ষই বাংলাদেশ থেকে লাভের গুড় তুলতে নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নয়া আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে
