প্রবীন আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে আই,সি,সি ট্রাইব্যুনাল আদালতে এই অবৈধ ইউনুস সরকার। যাহা হাস্যকর নয় শুধু, রীতিমতো আশ্চর্য জনক আরো একটা গভীর ষড়যন্ত্র ও নাটকীয়তায় ভরা শেখ হাসিনার পক্ষে পূনরায় আইন জীবি নিয়োগের এই ঘটনা

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল আদালতে শেখ হাসিনার পক্ষে প্রবীন আইন জীবি জেড আই খান পান্না আইনি লড়াইয়ে লড়বেন!,,,,,,,কাজী জব্বার,বাংলাদেশ থেকেঃ বিগত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন ডঃ ইউনুস সরকার এর প্রহসন মূলক একটি মামলার রায়ে সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রধান করেন। এই উদ্দেশ্য প্রনোদিত রায় ও ক্যাঙ্গারু কোর্ট এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল সহ তাবত দুনিয়ার ৫ টি মানবাধিকার সংগঠন এবং বিশ্বের ১৭১টি দেশের সরকার প্রধান ও জাতিসংঘের মহাসচিব এন্হোনীয় গোদরেজ এই রায়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অনতিবিলম্বে এই অবৈধ রায় প্রত্যাহারের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনুস এর কাছে জাতি সংঘ চিঠি পাঠিয়েছেন বলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সংশ্লিষ্ট সূএে চাওর হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের ক্লিং এজেন্ট ডঃ ইউনুস গংরা ডিপ ষ্টেটের পাপেট উপদেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে। অপর দিকে দেশে মব জাষ্টটিজ নামে ভায়োলেন্স সৃষ্টি করে স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির সহ সন্রাসী জঙ্গি গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এই অন্তবর্তি নামধারী অবৈধ ইউনুস সরকার। যার ফলে একদিকে সারাদেশে বিগত ১৫ মাসে খুন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, মামলা, হামলা সহ একটা অনিশ্চিত এাসের রাজত্ব চালাচ্ছে অবৈধ ইন্টেরিয়র সরকার। অন্য দিকে মুক্তি যোদ্ধাদের চেতনার গনতান্ত্রিক প্রবীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির একটা কায়েমি স্বার্থ তথা জঙ্গি গোষ্ঠীর রাষ্ট্র বানাতে চায় দখলদার এই সরকার। যার পরিপ্রেক্ষিতে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে সৃষ্টি করা এই ক্যাঙ্গারু আদালতের বিচারক,প্রসিকিউশন, আসামি পক্ষের আইনজীবী নিয়োগ যাহা বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন কানুন বহির্ভূত একটা গভীর ষড়যন্ত্রের নাটকের বিষয় বর্তমানে বাংলাদেশ নয় শুধু, সারা বিশ্বের কাছে তাহা প্রমান হয়ে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ইতোমধ্যে বহু স্ববিশেষ সংবাদ প্রচার পাচ্ছে। এ দিকে প্রবীন আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে আই,সি,সি ট্রাইব্যুনাল আদালতে এই অবৈধ ইউনুস সরকার। যাহা হাস্যকর নয় শুধু, রীতিমতো আশ্চর্য জনক আরো একটা গভীর ষড়যন্ত্র ও নাটকীয়তায় ভরা শেখ হাসিনার পক্ষে পূনরায় আইন জীবি নিয়োগের এই ঘটনা। দেশের সংবিধান বহির্ভূত দখলদার এই সরকার রীতিমতো আইন কানুন না জানা একটা জঙ্গি গোষ্ঠীর লোক। কেননা সাংবিধানিক অধিকার ও নিয়ম অনুসারে আসামি পক্ষের আইনজীবি আসামি অর্থাৎ সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োগ করার কথা। কিন্তু তাহা সম্পূর্ণ বিপরীত ও মিথ ভাবে অবৈধ ইউনুস সরকার রহস্যজনক ভাবে নিয়োগ করছে। যার বৈধ ও সাংবিধানিক ভিওি মোটেও নেই। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সারাদেশে তোলপাড় চলছে যে,ইতোপূর্বে ফাঁসির রায় এর মামলায় যেই আইনজীবি নিয়োগ ছিলো, তিনি সহ প্রসিকিউশন ও মামলায় পূর্ব থেকে তৈরি করে রাখা রায় প্রদানের বিচারক সবাই বাংলাদেশের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বিরোধী জামাত শিবির রাজাকার জঙ্গি গোষ্ঠীর লোক।
তাই বর্তমানে মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের আইনজীবী তথা জেড আই খান পান্না এ্যাডভোকেটকে সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ডঃ ইউনুস গং মূলতঃ তাদের দুরভিসন্ধিমূলক গভীর ষড়যন্ত্রের নাটকের বিষয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার একটা নীল নকশা ছাড়া অন্য কিছুই নয় বলে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাহিরে বিশ্বের বাঙ্গালী কমিউনিটি জুড়ে আতংক বিরাজ করছে। কারন বিগত ১৫ মাসে এই দখলদার ইউনুস সরকার বাংলাদেশের চট্রগ্রাম সহ তিনটি বন্দর, রোহিঙ্গাদের জন্য করিডোর এবং ৯০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার সহ সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা বিদেশী ঋন করে বাংলাদেশকে একটা দেউলিয়াত্বের গিনেফিক রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যাহা মুদ্রাস্প্রীতি সহ দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দরিদ্র সীমার নিছে নামিয়ে দিয়েছে বলে সম্মানীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মিডিয়ায় ইতোপূর্বে প্রকাশ করেছেন। মানুষ জন আলাপ চারিতায় বলাবলি করছে পূনরায় প্রবীন আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ডঃ ইউনুস গং মূলত তাদের দুরভিসন্ধিমূলক গভীর ষড়যন্ত্রের নাটকের বিষয়কে শাক দিয়ে মাছ ডাকতে চায়!!
