নীল বণিক : আগামী ১০- ১১ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জুড়ে সহিংসতার পরিকল্পনা করেছে জামাত৷ পাক গোয়েন্দা সংগঠন ISI’র মদতে সহিংসার চিত্রনাট্য তৈরি করেছে জামাতের শীর্ষ নেতৃত্ব। সহিংসতার জন্য পাকিস্তান থেকে পাওয়া অস্ত্র ব্যবহার করতেও পিছু হটবে না জামাতের শীর্ষ ক্যাডাররা।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৫০% মানুষ বুথমুখি না হওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। কারণ নৌকা ছাড়া ভোট অসম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদেশের কয়েক কোটি মানুষ। আর যারা ভোট দিতে যাবেন তারা জামাতকে সরাসরি ঘৃণা করেন। মানুষ ভোট দিতে গেলে সরাসরি লাভবান হবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। আর ভোট দিতে না গেলেই লাভবান হবে জামাত। তাই সাধারণ মানুষকে বুথে যাওয়া আটকাতেই বড় অশান্তির পরিকল্পনা নিয়েছে জামাত। ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে পাক – আমেরিকার সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দাঁড়িপাল্লায় ভোট না পড়ার আশঙ্কা থাকছে।
তাই সহিংসতার মাধ্যমে ভোটারদের ভয় দেখাতেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনের দিন বিএনপি’র ক্যাডাররাও যাতে ভয়ে থাকে তারজন্য এই পরিকল্পনা। সহিংসার মাধ্যমে এক ঢিলে তিন পাখি মারার চেষ্টায় জামাত।
পরিকল্পনা কথা অগ্রিম জানতে পেরে চিন্তায় রয়েছে বিএনপি। ভোটের দিন হিংসা হলে তারা দুপুর ১২টার পরে ভোট বয়কটের ডাক দিতে পারে বলে সূত্রের খবর। জামাতের হিংসার পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে জামাতের ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদী তুরস্ক। দৃষ্টির কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম জামাতের ক্ষমতায় আসা নিশ্চিত বলে ফলাও করে প্রচার করছে। তুরস্কের মিডিয়ার সেই খবর বাংলাদেশ প্রচার শুরু করেছে জামাত। এককথায় জামাত, আমোরিকা, পাকিস্তান ও তুরস্কের চিত্রনাট্যে রক্ত গঙ্গা বইতে পারে বাংলাদেশ।
