নিজস্ব সংবাদদাতা: সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট অনুষ্ঠান জাতির সাথে প্রহসন হচ্ছে বলে দাবি করল আওয়ামী লীগ। শামিল। এই নির্বাচনে সকল জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে না। এক প্রেস বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের শিক্ষকবৃন্দ উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। সংগঠনটির আরও দাবি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিকট মানুষের অনেক আকাঙ্ক্ষা ছিল। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকল দলের অংশগ্রহণ হওয়া উচিত ছিল। দেশের সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় সকল জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা উচিত ছিল বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ । কিন্তু বাস্তবে একেবারে ভিন্ন ছবি৷ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বহু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। নির্বাচন কমিশন দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ। নীল দল মনে করে, দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ জরুরি। তাহলেই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। বাংলাদেশের শান্তি, শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। উপরন্তু ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে।
ইতোমধ্যেই সিপিডি, টিআইবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ সহ সর্বস্তরের বুদ্ধিজীবীরা এই নির্বাচনকে বয়কট করেছে। আওয়ামী লীগ অন্তর্ভূক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের আদর্শে উজ্জীবিত নীল দল বর্তমান সরকারকে এ ধরনের একতরফা নির্বাচন আয়োজন থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
