কাজী জব্বার, ঢাকা- বাংলাদেশ থেকেঃ বাংলাদেশে চলমান এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ, দেশের সামাজিক টায়ার গুলো মস্ত বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রিদলীয় জোট কিংবা ত্রিদলীয় আয়োজন হলে ও দেশের সামাজিক টায়ার গুলো মস্তবড় ফ্যাক্টর।। বর্তমানে যারা নির্বাচনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের দলীয় ও জোটের সাথে দেশের সামাজিক টায়ার গুলোর মস্তবড় ফারাক কিংবা দার্শনিক মিলের ঘাটতি রয়েছে। ৷ ৷ ৷৷ এদেশের সামাজিক বেস্টনী গুলো গড়ে উঠেছে কতগুলো ঐতিহাসিক চরিত্রগত দার্শনিক জীবন ধারার মাধ্যমে।। সে গুলোর ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে প্রথা বা কাস্টম হয়ে যে,কোন দূর্যোগ বা ভোটের সময় তাহা দাঁড়িয়ে যায়। যেটা পেশা,গৌত্র,,গোস্টি, সম্প্রদায়ের সৃষ্টি করে। এগুলো মিলিয়েই বাংলাদেশের সামাজিক টায়ার তৈরি করে। সে টায়ার গুলোর উপরই এ,দেশের সমাজ সভ্যতা সংস্কৃতির বিকাশমান ধারা চলমান রয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ এ বিকাশমান ধারা অনুযায়ী ক্রিয়াশীল ও শক্তিশালী অবস্থানে বিরাজমান। ৷৷৷ ৷৷ ৷৷ ।। এ জনগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে একক দলীয় রাজনৈতিক ক্রিয়া প্রতিফলিত হয়না। তবে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনে জাতীয় স্বার্থে এ শক্তি গুলোর ঐক্য গড়ে উঠে। যাহা বাস্তবতায় ঐতিহাসিক ভাবে প্রমান আছে। যেমনঃ ১৯৫২,১৯৭০,১৯৭১,১৯৯০ সালে রাজনৈতিক ভাবে ঐতিহাসিক চরিত্র গুলোর ঐক্য হবার পর সামাজিক টায়ার গুলো ঐক্য বদ্ধ হয়ে বিজয় অর্জন করে। ঠিক তেমনি ভাবে জাতীয় নির্বাচনে ও এ সামাজিক টায়ার গুলো মস্তবড় ভুমিকা পালন করে থাকে ভোটের মাধ্যমে। এ সামাজিক টায়ার গুলোর মধ্যে কারা বিরাজমান সেটা ও খুব অচেনা নয়। সবারই চেনা জানা। এদের মধ্যে রয়েছে কামার,কুমার, দোপা,নাপিত, পাল,ঘোস,তাতি,চামার,মুচি,পরিচ্ছন্ন কর্মী, বৈস্নব,। অপরদিকে সংস্কৃতিসেবী,শিল্পী , সংঘঠন,উদিচি,ছায়ানট, আউল,বাউল, ফকির, মাজার , মাইজভান্ডারি, সুন্নী, ওলী আওলিয়াগন, পীর ফকির, লালনশাহ,শাহ্ আবদুল করিম, মাঝি মাল্লা,সংসার বৈরাগী,। এ টায়ার গুলোর মানুষেরা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেন। এরা কোন সাম্প্রদায়িক দলীয় রাজনৈতিক দল কে ভোট দেয়না। কিংবা তাদেরকে যারা ধারণ করেনা সেসব দল ও দলের প্রার্থী কে ও ভোট দেয়না। এ, টায়ার গুলোর ধারক বাহক আওয়ামী লীগ। হাল আমলে বি,এন,পির প্রতি কিছু টা নমনীয়তা দেখালেও মুক্তি যুদ্ধের বিষয়ে বিএনপির অসপ্সটতা নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছে! ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের সামাজিক টায়ার গুলোর ভোট নেয়ার মত দল ও ব্যাক্তি তথা প্রার্থীর অনুপস্থিতিতার কারনে, এ জনগোষ্ঠীকে ভোট কেন্দ্র টানা মোটে ও সম্ভব হবেনা। এর মধ্যেই আবার মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান কে হ্যাঁ না ভোট ডুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এর ফলে সামাজিক বেস্টনী বহনকারীরা কোন দুঃখে স্বাধীনতা বিরুদ্ধীদের ভোট দিতে যাবে! সে প্রশ্ন তো থেকেই যায়। এই বাস্তবতা যেখানে বিদ্যমান সেখানে নির্বাচন তো কাংক্ষিত ফলদায়ক কিছু বয়ে আনবে বলে প্রতিয়মান হয়না। তাই অতি সন্নিকটে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পূর্ণ ” আন প্রিডেক্টিভ ” অবস্হানে বিরাজ করছে।।
