বিশেষ সংবাদদাতা : আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর নজরদারি চালাতে কলকাতায় সক্রিয় জামাতের এজেন্টরা। কখনও সাংবাদিক আবার কখনও হাসিনার শুভানুধ্যায়ী পরিচয়ে পৌঁছে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বর কাছে। ঘরোয়া আলোচনায় বসে থেকে বাজপাখির মত কথা গিলছে জামাত ও ইউনূসের এজেন্টরা।
দেশত্যাগ করে অসহায় অবস্থায় নিউটাউনে দিন কাটাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ প্রমূখ। বিকেলের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা নিজেদের মধ্যে মিলিত হন। সেখানে ঘরোয়া আলোচনায় দেশ ও দলের বিষয়গুলি প্রাধান্য পায়। আর সেই আলোচনাকে কাজে লাগাচ্ছে ইউনূসের এজেন্টরা।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের একটি বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়। সেই বিকৃত বক্তব্যটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলিতে ফলাও করে প্রচার করা হয়। ইউনূসের এজেন্টারা চাইছেন হতাশা যুক্ত কিছু সংবাদ করে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঝামেলা তৈরি করা।
অন্যদিকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ‘ চা পে চর্চা’ নিয়ে ভুয়ো খবর পরিবেশন করা হয়। এই বিষয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অশোক দাসের বক্তব্য মানুষ সামাজিক জীব। সামাজিকতা বজায় রাখতে গিয়ে ভারতের বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলে অন্যায়ের কি রয়েছে ? ভারতীয় বৃদ্ধিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে না তো পাকিস্তানের সঙ্গে মতবিনিময় করবে? প্রশ্ন তুলে জামাতের এজেন্টের সমালোচনা করলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য বিষয়টি ভারত সরকারের দেখা উচিত। জামাতের থেকে পয়সা নিয়ে কারা এই কাজগুলি করছে। বাংলাদেশের মুক্তমনাদের আশ্রয় দিয়েছে ভারত সরকার। জাতীয় ইস্যুতে ভারত সরকারের পাশে রয়েছেন ভারতীয়রা।
বিশিষ্ট সাংবাদিক নীল বণিক বলেন আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে আমি আমার বাড়িতে চায়ের নেমন্তন্ন করব। তাতে জামাতের এজেন্টদের বলার কি রয়েছে ? তিনি আরও বলেন , কলকাতায় ছদ্দবেশে থাকা এই জামাতের এজেন্টদের উপর নজরদারি রাখুক ভারত সরকার। দেশের তথ্য ও বিদেশে পাচার করার অপরাধে কলকাতায় বসবাসকারী জামাতের এজেন্টের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নীল বণিক। তিনি আরও জানান আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব মুক্তমনা। তাই দুই দেশের মুক্তচিন্তাধারার মানুষের মত বিনিময় নিয়ে চিন্তায় রয়েছে জামাত।
