নীল বণিক : ইউনূসের আমলে আরও সংকটের মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতি! আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা IMF’র সতর্কের পর চিন্তায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে দুর্বল ব্যাঙ্কগুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা উচিত বাংলাদেশ সরকারের। না হলে সামনে বড়-বিপদ অপেক্ষা করছে বলে জানালো আন্তর্জাতিক এই আর্থিক সংস্থাটি। উপযুক্ত সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশের আর্থিক ব্যাংকগুলিতে অর্থ যোগান দেওয়া মোটেও উচিত নয় বলে মনে করে IMF। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাটি মনে করে বাংলাদেশের আর্থিক বৃদ্ধির হাল মোটেও সুখকর নয়। তাছাড়া খুচরো বাজারে মুদ্রার স্মৃতির হার যথেষ্ট বেশি। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কয় ক্ষমতা অনেক কমেছে।
প্রসঙ্গত, হাসিনার দেশ ত্যাগের পর রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে বাংলাদেশ। বিরোধী ও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ মুখ ফিরিয়েছে। কমছে কর্মসংস্থান। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলিকে ঋণ দেওয়া ঠিক হবে না বলে মনে করে তারা। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৪.২%। ২০২৫ সালে তা কমে ৩.৭%। বাংলাদেশের অর্থনীতি কি বাঁচাতে দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। জাতি, বর্ণ, ধর্ম ভুলে গিয়ে সবাইকে কাজে ফেরাতে হবে।
আওয়ামী লীগ করার অপরাধে বহু নিচু তলার কর্মী ঘর ছাড়া৷ তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ। বেকার অবস্থায় ছন্নছাড়া জীবনযাপন করছেন বহু আওয়ামী লীগ কর্মীরা। ঘরছাড়া কর্মীরা যদি কাজে না ফেরে তাহলে আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব কিভাবে ? অর্থনীতি আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাতের কর্মীদের দেখে ঠিক হয় না। বাস্তব সত্যটা অর্থনীতিবিদ হয়ে ভালোই বোঝেন ডক্টর ইউনুস। কিন্তু ক্ষমতার লালসায় অর্থনীতির বিপরীত মেরুতে হাঁটতে গিয়ে বিপদের মুখে ফেলছে বাংলাদেশকে। এমনটাই মনে করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের বহু অর্থনীতিবিদ।
