জেপি নাড্ডা বর্তমানে মোদি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাই তাকে সভাপতির চেয়ারে থাকতে হলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে।

জেপি নাড্ডা বর্তমানে মোদি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিহারের নির্বাচনের পর জেপি নাড্ডাকে সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ধরে রাখার কৌশল ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর। হিমাচলপ্রদেশ, কর্ণাটক ও বাংলা ছাড়া প্রায় সব রাজ্যেই নাড্ডার নেতৃত্বে ভালো ফল করেছে বিজেপি৷ তাই সফল সভাপতিকে না সরানোর আওয়াজ উঠেছে দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের অন্দরে।
বিহার নির্বাচনের পর সভাপতি পদ থেকে সরানো হবে জেপি নাড্ডাকে। এমন বার্তা সাত মাস আগে দেওয়া হয়েছিল দীনদয়াল মার্গের তরফে। লোকসভার আগেই নাড্ডার মেয়াদকাল শেষ হয়। লোকসভার পর বলা হয় বিহার নির্বাচন পর্যন্ত চেয়ার থাক জেপি নাড্ডা। আর পাটালিপুত্র জয় করতেই নতুন সুর শোনা যাচ্ছে নাড্ডা অনুগামীদের মধ্যে। দলের অন্তরে অনেকেই বলছেন উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন পর্যন্ত নাড্ডাই সভাপতির চেয়ারে থাক। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কিছু বাঁধা রয়েছে। বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী এক ব্যক্তি দুই পদে থাকতে পারেন না। জেপি নাড্ডা বর্তমানে মোদি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাই তাকে সভাপতির চেয়ারে থাকতে হলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে।
তাছাড়া বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী এই পদে এত দীর্ঘ মেয়াদি বসে থাকাও যায় না। নাড্ডাকে সভাপতি চেয়ারে রাখতে হলে দলের সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। সেই ঝুঁকি কি নিতে চাইবেন গুজরাট লবি? এমনিতেই অমিত শাহকে নিয়ে বিজেপির অন্দরে রয়েছে ক্ষোভ। এমন দেখার সর্বভারতীয় সভাপতির চেয়ার নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নেয়া সংঘ পরিবার।

